আজ এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। ক্রিকেট বিশ্বের নজর এখন দুবাইয়ের দিকে, যেখানে মুখোমুখি হবে ভারত ও পাকিস্তান। উভয় দলই তাদের প্রথম ম্যাচে জয় লাভ করে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর। আজকের এই মহাযুদ্ধে জয়ী দল সুপার-৪-এর জন্য প্রায় নিশ্চিতভাবে যোগ্যতা অর্জন করবে।READ ALSO:-কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থেকে ছবি তৈরির আগে সাবধান! আপনার ছবি ব্যবহার করতে পারে Google Gemini এবং ChatGPT
\r\n\r\n\r\n\r\n
ব্যাটসম্যান, বোলার এবং ফিল্ডার - খেলার এই তিনটি বিভাগেই ভারতীয় দল পাকিস্তানের চেয়ে অনেক এগিয়ে। ফর্মের দিক থেকেও পাকিস্তান দল ভারতের সামনে দাঁড়ানোর মতো অবস্থায় নেই। তাহলে কি ম্যাচের আগে ধরে নেওয়া যায় যে, জয় ভারতেরই হবে?
\r\n\r\n\r\n\r\n
না, এখনই এমনটা ভাবা ভুল হবে। একটি ফ্যাক্টর এমন আছে যা পাকিস্তানকে এই ম্যাচে ফিরিয়ে আনতে পারে, আর সেই ফ্যাক্টরটি হলো দুবাইয়ের পিচ। চলুন জেনে নিই, এই পিচে এমন কী আছে এবং কেন এটি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।
\r\n\r\n\r\n\r\n
টি-২০ ফরম্যাটে ভারত-পাকিস্তান: কে এগিয়ে?
\r\n\r\nএই দুই দলের মধ্যে শেষবার দেখা হয়েছিল আমেরিকায় অনুষ্ঠিত টি-২০ বিশ্বকাপে। সেই ম্যাচে ভারতীয় দল মাত্র ১১৯ রান করেও ৬ রানে জয় লাভ করেছিল। সেই বিশ্বকাপের পর থেকে বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা এবং রবীন্দ্র জাদেজার মতো অভিজ্ঞ ভারতীয় খেলোয়াড়দের অবসর নেওয়ার পরও দলের পারফরম্যান্স আরও উন্নত হয়েছে। সেই থেকে ভারত তাদের ৮৬% টি-২০ ম্যাচ জিতেছে।
\r\n\r\nFollow the Khabreelal News channel on WhatsApp Join › \r\n\r\n
অন্যদিকে, পাকিস্তানের পারফরম্যান্স আশানুরূপ ছিল না। পারফরম্যান্সে উন্নতির আশায় বাবর আজম এবং মহম্মদ রিজওয়ানের মতো খেলোয়াড়দের দল থেকে বাদ দেওয়া সত্ত্বেও দলের মান ক্রমাগত নিম্নগামী হয়েছে। গত টি-২০ বিশ্বকাপের পর থেকে পাকিস্তান মাত্র ৫০% ম্যাচ জিততে পেরেছে। এই পরিসংখ্যানই দুই দলের পারফরম্যান্সে কতটা বড় পার্থক্য তৈরি হয়েছে তা স্পষ্ট করে।
\r\n\r\n\r\n\r\n
ভারতীয় দল এত শক্তিশালী হলেও পিচ কীভাবে খেলা নষ্ট করতে পারে?
\r\n\r\nদুবাই ক্রিকেট গ্রাউন্ডে এখন পর্যন্ত ৯৫টি টি-২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৬টি ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করা দল জিতেছে, ৪৮টি ম্যাচে রান তাড়া করা দল জিতেছে এবং ১টি ম্যাচ টাই হয়েছে।
\r\n\r\n
🏪 आपके शहर के ऑफर
विज्ञापन · स्थानीय दुकानों की ताज़ा स्कीम · स्वाइप करें →
सभी ऑफर देखें →
এই রেকর্ড দেখে এমন কিছু বিশেষ মনে হচ্ছে না যা ভারতীয় দলকে চিন্তায় ফেলবে। কিন্তু দুবাইয়ের রেকর্ডের আরও নিবিড় বিশ্লেষণ করলে পরিস্থিতি বদলে যায়।
\r\n\r\nखबरीलाल न्यूज़ का Telegram चैनल जॉइन करें Join › \r\n\r\n
২০২০ সাল থেকে চমকপ্রদ তথ্য
\r\n\r\n২০২০ সাল থেকে গত প্রায় পাঁচ বছরে, টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলির মধ্যে এখানে যত টি-২০ ম্যাচ হয়েছে, তাতে রান তাড়া করা দলগুলি প্রচুর সুবিধা পেয়েছে। এই সময়ে এখানে ১৮টি এমন ম্যাচ হয়েছে যেখানে উভয় দলই টেস্ট খেলুড়ে দেশ ছিল। এই ১৮টি ম্যাচের মধ্যে ১৬টিতে রান তাড়া করা দল জিতেছে এবং মাত্র ২টি ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করা দল জয়ী হয়েছে।
\r\n\r\n\r\n\r\n
এর অর্থ হল, আজকের ম্যাচে যদি ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে হয়, তাহলে পাকিস্তান কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এমনটা দু'বার হয়েছেও। প্রথমবার ২০২১ সালের টি-২০ বিশ্বকাপে এবং দ্বিতীয়বার ২০২২ সালের টি-২০ এশিয়া কাপে। গত ১৩ বছরে এই দুটি টি-২০ ম্যাচেই পাকিস্তান দল ভারতকে হারাতে পেরেছে।
\r\n\r\n\r\n\r\n
পিচ রিপোর্ট:
\r\n\r\nদুবাইয়ে প্রথম ইনিংসের গড় স্কোর মাত্র ১৪৫ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে শিশিরের (Dew) কারণে এই লক্ষ্য সহজেই তাড়া করা যায়। এখানে প্রথমে ব্যাট করে জেতা দলগুলির গড় স্কোর ১৬২ রান। তবে, গত ১০ বছরে এই স্কোর বেড়ে ১৬৫-তে পৌঁছেছে। অর্থাৎ, প্রথমে ব্যাট করে জয়ের আশা রাখতে হলে ১৬৫-এর বেশি রান করতেই হবে।
\r\n\r\n\r\n\r\n
উভয় দলের সম্ভাব্য প্লেয়িং-১১:
\r\n\r\nভারত: অভিষেক শর্মা, শুভমান গিল, সঞ্জু স্যামসন, সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), তিলক ভার্মা, শিবম দুবে, হার্দিক পান্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব, জসপ্রীত বুমরাহ এবং বরুণ চক্রবর্তী।
\r\n\r\n\r\n\r\n
পাকিস্তান: সাইম আইয়ুব, সাহেবজাদা ফারহান, মহম্মদ হারিস (উইকেটরক্ষক), সালমান আগা (অধিনায়ক), ফখর জামান, হাসান নওয়াজ, মহম্মদ নওয়াজ, ফাহিম আশরাফ, শাহীন আফ্রিদি, আবরার আহমেদ এবং সুফিয়ান মুকিম।
\r\n\r\n\r\n\r\n
আজকের ম্যাচটি নিঃসন্দেহে অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ হতে চলেছে। ভারতীয় দল তার সেরা ফর্ম নিয়ে মাঠে নামবে, কিন্তু দুবাইয়ের পিচের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা তাদের জন্য সহজ হবে না। ভারতীয় দল কি এই চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করতে পারবে নাকি দুবাইয়ের পিচ পাকিস্তানকে আরও একটি জয় এনে দেবে, তা দেখতে চোখ রাখতে হবে আজকের ম্যাচে।
\r\n\r\n

Sabse pehle comment karne wale banein.